BangladeshPoliticsজাতীয়

ঢাকায় ২ সেপ্টেম্বর খুলছে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ২৮ অক্টোবর বঙ্গবন্ধু টানেল উদ্বোধন

সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (কাওলা) থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত অংশ আগামী ২ সেপ্টেম্বর খুলে দেওয়া হবে। আর কর্ণফুলী নদীর নিচে দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম রিভার টানেলের উদ্বোধন করা হবে ২৮ অক্টোবর। দুটো প্রকল্পই উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সোমবার বনানীর সেতু ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান তিনি। এক্সপ্রেসওয়ের বিষয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, এটা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (কাওলা) থেকে শুরু করে মহাখালী, তেজগাঁও, মগবাজার হয়ে কুতুবখালী গিয়ে শেষ হবে। প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ৬৫ শতাংশ। জুন ২০২৪ এ শেষ হবে। এটা মাথায় রেখে কাজ করা হচ্ছে।

মন্ত্রী জানান, কাওলা থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত অংশ যান চলাচলের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। ১১.৫ কিলোমিটার, র?্যাম্প ১১ কিলোমিটার, র?্যামসহ ২২.৫ কিলোমিটার। কাওলা থেকে ১৫টি র?্যাম্প থাকবে। গতিবেগ ৬০ কিলোমিটার।

ওবায়দুল কাদের আরও জানান, এরপর এক্সপ্রেসওয়ের ওপর পথচারী ও বাইসাইকেল চলবে না। আর আপাতত মোটর সাইকেল চলাচল করবে না।

সেতু বিভাগ জানায়, প্রকল্পটি ঢাকা শহরের উত্তর-দক্ষিণ করিডরের সড়ক পথের ধারণক্ষমতা বাড়াবে। এ ছাড়া প্রকল্পটি ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সঙ্গে সংযুক্ত হলে ঢাকা ইপিজেড ও উত্তরবঙ্গের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দরের যোগাযোগ সহজতর হবে। এতে ঢাকা শহরের যানজট নিরসনের পাশাপাশি দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে উলেস্নখযোগ্য প্রভাব ফেলবে।

প্রকল্পের বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান ফার্স্ট ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে কোম্পানি লিমিটেডের সঙ্গে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের ২০১৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর সংশোধিত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

প্রকল্পটি থাইল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ইটালিয়ান থাই ডেভেলপমেন্ট পাবলিক কোম্পানি লিমিটেড (৫১ শতাংশ) এবং চায়নাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান শেনডং ইন্টারন্যাশনাল ইকোনমিক অ্যান্ড টেকনিক্যাল কো-অপারেশন গ্রম্নপ (৩৪ শতাংশ) ও সিনোহাইড্রো করপোরেশন লিমিটেডের (১৫ শতাংশ) যৌথ উদ্যোগে নির্মিত হচ্ছে। প্রকল্পের মোট ব্যয় ৮ হাজার ৯৪০ কোটি টাকা, যার ২৭ শতাংশ বাংলাদেশ সরকার ভিজিএফ হিসেবে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানকে দেবে।

তারা আরও জানায়, আর কর্ণফুলী নদীর দুই তীরে চীনের সাংহাইয়ের আদলে ‘ওয়ান সিটি টু টাউন’ গড়ে তুলতে প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে বঙ্গবন্ধু টানেল প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ সরকার। ২০১৫ সালে অনুমোদনের দুই বছর পর ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে কাজ শুরু হয়। কিন্তু করোনাভাইরাস মহামারির সময় এ কাজ কিছুটা গতি হারায়।

এশিয়ান হাইওয়ের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজারের মধ্যে একটি নতুন সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে বানানো হয়েছে এ টানেল। নির্মাণকাজ করছে চীনা কোম্পানি ‘চায়না কমিউনিকেশন কনস্ট্রাকশন লিমিটেড’।

সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের জানান, পদ্মা সেতুর টোল বাবদ দুই দফায় ৬৩২ কোটি টাকা প্রধানমন্ত্রীর হাত দিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরই আমরা কাজ করে যাচ্ছি। সবচেয়ে বড় প্রকল্প পদ্মা সেতুর কাজ শেষ করা হয়েছে। পদ্মা সেতু থেকে সরকারের যে আয় সেটা দুই দফা ৬৩২ কোটি টাকা প্রধানমন্ত্রীর কাছে দেওয়া হয়েছে। পরে প্রধানমন্ত্রী সেটি অর্থ সচিবের কাছে দিয়েছেন।

Mr Criminal

I am Mr. Criminal, the owner of this web portal, if you need to contact me urgently, please message me on the email below. Contact: [email protected] Thank you

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button